বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর
বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ২০টি MCQ প্রশ্ন, সঠিক উত্তর ও
বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিয়ে এই অনুশীলনটি তৈরি করা হয়েছে। BCS, ব্যাংক,
প্রাথমিক, হাইস্কুল, শিক্ষক নিবন্ধনসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির
জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করতে পারেন।
নির্দেশনা: প্রতিটি প্রশ্নের নিচে
“উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন” বাটনে ক্লিক করলে সঠিক উত্তর ও
ব্যাখ্যা দেখা যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ MCQ
১। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার উদ্ভব কাল—
(ক) ষষ্ঠ শতাব্দী
(খ) সপ্তম শতাব্দী
(গ) অষ্টম শতাব্দী
(ঘ) দশম শতাব্দী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) সপ্তম শতাব্দী
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার উৎপত্তি সপ্তম শতাব্দীতে
(প্রায় ৬৫০ খ্রিস্টাব্দে)। তাঁর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব প্রাকৃত ভাষার
গৌড়ীয় প্রাকৃত শাখা থেকে।
অপরদিকে, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব
দশম শতাব্দীতে এবং এর উৎপত্তি মাগধী প্রাকৃত থেকে।
তথ্যসূত্র: কত নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী — হুমায়ুন আজাদ।
২। বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয় ইন্দ-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর কোন শাখা থেকে?
(ক) কেন্তম
(খ) শতম
(গ) হিত্তিক
(ঘ) তুখড়িক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) শতম
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের প্রধান দুটি শাখা হলো কেন্তম ও শতম।
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর শতম শাখার
ভারতীয় আর্যভাষার ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষাচিত্রে বাংলা ভাষার বিকাশের বিভিন্ন
স্তর দেখানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
৩। বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় বলা হয় কোনটিকে?
(ক) অহমিয়া
(খ) সংস্কৃত
(গ) প্রাকৃত
(ঘ) অপভ্রংশ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) অহমিয়া
বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় ভাষাগুলোর মধ্যে অহমিয়া ও ওড়িয়া
উল্লেখযোগ্য। বাংলা ভাষার বিকাশের সঙ্গে প্রাচীন ভারতীয় আর্য,
প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
সংস্কৃত ও পালির সঙ্গেও বাংলার ঘনিষ্ঠ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪। নিচের কোনটি ভাষাবংশের নাম নয়?
(ক) আফ্রিকীয়
(খ) সেমীয়-হেমীয়
(গ) হিস্পানি
(ঘ) দ্রাবিড়ীয়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) হিস্পানি
হিস্পানি কোনো ভাষাবংশের নাম নয়; এটি একটি ভাষার নাম।
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ভাষার মধ্যে বাংলা,
ইংরেজি, জার্মান, ফরাসি, রুশ, পর্তুগিজ, ফারসি, হিন্দি, উর্দু
প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
৫। ভাষার মৌলিক অংশ নয় কোনটি?
(ক) অর্থ
(খ) ছন্দ
(গ) শব্দ
(ঘ) ধ্বনি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) ছন্দ
ভাষার মৌলিক অংশ হিসেবে ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থকে ধরা হয়।
ছন্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও এটি ভাষার
মৌলিক অংশ নয়।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬। বাংলা ভাষার মৌলিক দুটি রীতি হলো—
(ক) সাধু ও চলিত
(খ) সাধু ও আঞ্চলিক
(গ) লেখ্য ও আঞ্চলিক
(ঘ) মৌখিক ও লৈখিক
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) মৌখিক ও লৈখিক
বাংলা ভাষার মৌলিক রীতি বা রূপ দুটি হলো—
১. মৌখিক বা কথ্য রীতি
২. লৈখিক বা লেখ্য রীতি।
লৈখিক রীতির দুটি রূপ হলো সাধু ও চলিত রীতি।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭। ‘সাধুভাষা’ পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করেন কে?
(ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
(খ) রাজা রামমোহন রায়
(গ) প্রমথ চৌধুরী
(ঘ) উইলিয়াম কেরী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) রাজা রামমোহন রায়
প্রশ্নে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ‘সাধুভাষা’ পরিভাষাটির সঙ্গে রাজা
রামমোহন রায়ের নাম যুক্ত করা হয়।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করেন এবং প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির বিকাশে বিশেষ অবদান রাখেন।
তথ্যসূত্র: কত নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী — হুমায়ুন আজাদ।
৮। নিচের কোনটি চলিত রীতির বৈশিষ্ট্য নয়?
(ক) তদ্ভব শব্দবহুল
(খ) নাটকের সংলাপের উপযোগী
(গ) পরিবর্তনশীল
(ঘ) পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত
চলিত রীতি তুলনামূলকভাবে সহজ, সংক্ষিপ্ত, পরিবর্তনশীল এবং তদ্ভব
শব্দবহুল। নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় চলিত রীতির ব্যবহার স্বাভাবিক।
‘পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট’ বৈশিষ্ট্যটি সাধু রীতির
সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯। ভাষার কোন রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে?
(ক) সাধু রীতি
(খ) চলিত রীতি
(গ) কথ্য রীতি
(ঘ) লেখ্য রীতি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) সাধু রীতি
সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ নির্দিষ্ট ও পূর্ণরূপে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— তাঁহারা, ইহা, যাহা, কেহ, উহা; আসিয়া, করিয়া, খুলিল,
দেখিল, করিবে ইত্যাদি।
চলিত রীতিতে এসবের সহজ ও সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০। নিচের কোনটি চলিত রীতির শব্দ?
(ক) তুলা
(খ) পূর্বে
(গ) সঙ্গে
(ঘ) শুকনা
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) সঙ্গে
‘সঙ্গে’ চলিত রীতির শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সাধু রূপ ‘সহিত’।
প্রদত্ত উদাহরণ অনুযায়ী—
তুলা → তুলো
পূর্বে → আগে
শুকনা → শুকনো
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১। বর্তমানে লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হলো—
(ক) আঞ্চলিক রীতি
(খ) চলিত রীতি
(গ) প্রমিত রীতি
(ঘ) সাধু রীতি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) প্রমিত রীতি
বর্তমানে লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে প্রমিত রীতিকে গ্রহণ করা হয়।
এটি বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য মান রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
প্রমিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের প্রচলিত মানরূপ ব্যবহার
করা হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২। বাংলা লিপির উৎপত্তি ঘটেছে কোন প্রাচীন লিপি থেকে?
(ক) খরোষ্ঠি লিপি
(খ) সংস্কৃত লিপি
(গ) তদ্ভব লিপি
(ঘ) ব্রাহ্মী লিপি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) ব্রাহ্মী লিপি
বাংলা লিপির ঐতিহাসিক বিকাশ ব্রাহ্মী লিপির ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাংলা লিপির বিকাশে পূর্বভারতীয় লিপির বিভিন্ন পর্যায় গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করেছে।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি; বাংলাপিডিয়া।
১৩। বাংলা লিপির আধুনিক রূপ দেন কে?
(ক) রামরাম বসু
(খ) উইলিয়াম কেরী
(গ) পঞ্চানন কর্মকার
(ঘ) রাজা রামমোহন রায়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) পঞ্চানন কর্মকার
পঞ্চানন কর্মকার বাংলা মুদ্রণাক্ষরের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করেন। চার্লস উইলকিন্সের সঙ্গে কাজ করে বাংলা মুদ্রণাক্ষর
নির্মাণ ও মুদ্রণপ্রযুক্তির বিকাশে তিনি বিশেষ অবদান রাখেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪। প্রাচীন ভারতীয় কোন লিপি বাম দিক থেকে লেখা হতো?
(ক) কুটিল লিপি
(খ) খরোষ্ঠি লিপি
(গ) সংস্কৃত লিপি
(ঘ) ব্রাহ্মী লিপি
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) ব্রাহ্মী লিপি
ব্রাহ্মী লিপি বাম দিক থেকে ডান দিকে লেখা হতো। অপরদিকে খরোষ্ঠী
লিপি ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা হতো।
বাংলা লিপির ঐতিহাসিক বিকাশ ব্রাহ্মী লিপির ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫। সর্বপ্রথম বাংলা টাইপযোগে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন কে?
(ক) মনোএল দ্য আসসুম্পসাঁউ
(খ) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
(গ) উইলিয়াম কেরী
(ঘ) রাজা রামমোহন রায়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (খ) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengal Language’
বাংলা ভাষার প্রাচীন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগ্রন্থগুলোর একটি। এটি
১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা মুদ্রণাক্ষরের ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ
স্থান রয়েছে।
মনোএল দ্য আসসুম্পসাঁউ বাংলা ব্যাকরণের প্রাথমিক রচয়িতাদের মধ্যে
অন্যতম।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬। বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ কোনটি?
(ক) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
(খ) এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ
(গ) ব্যাকরণ কৌমুদী
(ঘ) ব্যাকরণ মঞ্জুরী
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ক) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
প্রশ্নে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী রাজা রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’
বাংলা ভাষায় রচিত গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ব্যাকরণগ্রন্থ হিসেবে
উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengal
Language’ ইংরেজিতে রচিত বাংলা ভাষার প্রাচীন মুদ্রিত ব্যাকরণগ্রন্থ।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৭। ব্যাকরণের প্রধান কাজ হলো—
(ক) ভাষার নিয়ম প্রতিষ্ঠা
(খ) ভাষার শৃঙ্খলা রক্ষা
(গ) ভাষার উন্নতি করা
(ঘ) ভাষার বিশ্লেষণ
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) ভাষার বিশ্লেষণ
ব্যাকরণ ভাষার স্বরূপ, গঠন ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে। ধ্বনি, শব্দ,
পদ ও বাক্য ইত্যাদির গঠন ও ব্যবহার বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাষার
নিয়ম ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
‘ব্যাকরণ’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮। ‘Semantics’ শব্দের বঙ্গানুবাদ হলো—
(ক) ধ্বনিতত্ত্ব
(খ) রূপতত্ত্ব
(গ) অর্থতত্ত্ব
(ঘ) বাক্যতত্ত্ব
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) অর্থতত্ত্ব
Semantics-এর বাংলা পরিভাষা হলো ‘অর্থতত্ত্ব’। অর্থতত্ত্বে শব্দ,
পদ ও বাক্যের অর্থ এবং অর্থের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
Phonology = ধ্বনিতত্ত্ব
Morphology = রূপতত্ত্ব
Semantics = অর্থতত্ত্ব
Syntax = বাক্যতত্ত্ব
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯। বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
(ক) শব্দতত্ত্ব
(খ) রূপতত্ত্ব
(গ) বাক্যতত্ত্ব
(ঘ) অর্থতত্ত্ব
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (ঘ) অর্থতত্ত্ব
বাগধারার অর্থ ও ব্যবহার অর্থতত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত।
অর্থতত্ত্বে শব্দ, পদ ও বাক্যের অর্থ এবং অর্থের বিভিন্ন দিক
আলোচনা করা হয়।
বাগধারা, প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ ও শব্দের ব্যঞ্জনাসহ অর্থসম্পর্কিত
বিষয়গুলো এ আলোচনার অন্তর্ভুক্ত।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
২০। নিচের কোনটি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
(ক) উপসর্গ
(খ) বচন
(গ) কারক
(ঘ) ধাতু
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন
সঠিক উত্তর: (গ) কারক
রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে শব্দ ও তার গঠন, উপাদান এবং রূপ নিয়ে
আলোচনা করা হয়। উপসর্গ, বচন, ধাতু, প্রত্যয়, পদ ইত্যাদি এ অংশের
আলোচ্য বিষয়।
কারক মূলত বাক্যে পদের সঙ্গে ক্রিয়ার সম্পর্ক নির্দেশ করে এবং
প্রচলিত ব্যাকরণ বিভাজনে এটি বাক্যতত্ত্বের আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।