বাংলাদেশের সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা MCQ। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

 

বাংলাদেশের সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা MCQ। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশের সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা চাকরির পরীক্ষা, বিসিএস, ব্যাংক, শিক্ষক নিবন্ধন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই পোস্টে বাংলাদেশের সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি, জাতীয় সংসদ, নির্বাচন, জরুরী অবস্থা, সংবিধান সংশোধনী এবং সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত নির্বাচিত MCQ প্রশ্ন ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো ।

১। জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহনের নিশ্চয়তার বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?

(ক) ১৯(১)

(খ) ১৯(২)

(গ) ১৯(৩)

(ঘ) ১০(৪)


উত্তর: (গ) ১৯(৩) 

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি অনুচ্ছেদ ১৯(৩) এ বর্ণিত হয়েছে। 

  • এ অনুচ্ছেদের অধীনে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরকে জাতীয় সকল পর্যায়ে অংশগ্রহণের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। 

  • অপরদিকে, ১৯(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকবে। 

  • ১৯(২) এর আলোচ্য বিষয় হলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য বিলোপ করে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

২। বাংলাদেশ সংবিধানের কোন ভাগে নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়েছে?

(ক) ৫ম ভাগে

(খ) ৬ষ্ঠ ভাগে

(গ) ৭ম ভাগে

(ঘ) ৮ম ভাগে


উত্তর: (গ) ৭ম ভাগে

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের সংবিধানের মোট ১১টি অধ্যায় এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। 

  • সংবিধানের ৭ম ভাগে নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়েছে।

  • সংবিধানের এই অধ্যায়ে ৯ টি অনুচ্ছেদ (১১৮-১২৬) রয়েছে।

  • এই অনুচ্ছেদ গুলোতে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা, ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা প্রভৃতি উল্লেখ রয়েছে।

  • বাংলাদেশের সংবিধানের অধ্যায় গুলো হলো: 

  • ১ম: প্রজাতন্ত্র 

  • ২য়: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি 

  • ৩য়: মৌলিক অধিকার 

  • ৪র্থ: নির্বাহী বিভাগ

  • ৫ম: আইনসভা

  • ৬ষ্ঠ: বিচার বিভাগ

  • ৭ম: নির্বাচন

  • ৮ম: মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

  • ৯ম: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ

  • ৯ম(ক): জরুরী বিধানাবলি

  • ১০ম: সংবিধান সংশোধন

  • ১১ম: বিবিধ

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 


৩। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?

(ক) ৩৬

(খ) ৩৭

(গ) ৩৮

(ঘ) ৩৯


উত্তর: (ঘ) ৩৯

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে "চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা"র বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

  • ৩৯ (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

  • ৩৯ (২) বলা হয়েছে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে

           (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং

(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হইল।

  • অপরদিকে, ৩৬ অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতা, ৩৭ অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা এবং ৩৮ নং অনুচ্ছেদে সংগঠনের স্বাধীনতার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

৪। গণপরিষদ আদেশ জারি করেন কে?

(ক) শাহ আব্দুল হামিদ

(খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

(গ) আবু সাঈদ চৌধুরী 

(ঘ) মোহাম্মদ উল্লাহ


উত্তর: (গ) আবু সাঈদ চৌধুরী 

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় লাভের পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সংবিধান প্রণয়ন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। 

  • সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন ৪০০ জন। 

  • ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী গণপরিষদ গঠনের জন্য গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।

  •  বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদ গঠিত হয়। 

  • গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।

  • সংবিধান রচনার সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং গণপরিষদের সংসদ নেতা। 

তথ্যসূত্র: An introduction to the constitutional law of Bangladesh by Jashim Ali Chowdhury. 

৫। সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয় কত তারিখে?

(ক) ১০ এপ্রিল

(খ) ১১ এপ্রিল

(গ) ১৫ এপ্রিল

(ঘ) ১৭ এপ্রিল


উত্তর:(খ) ১১ এপ্রিল

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির উদ্দেশ্য ছিল সংবিধান প্রণয়ন করা। 

  • সংবিধান রচনা কমিটির মোট সদস্য ছিলেন ৩৪ জন। সভাপতি ছিলেন গণপরিষদের আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। 

  • এই কমিটির একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এবং একমাত্র মহিলা সদস্য বেগম রাজিয়া বানু। 

  • সংবিধান রচনা কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিল ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। 

  • সংবিধান রচনা কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করে ১২ অক্টোবর এবং এটি গৃহিত ও পাস হয় ৪ নভেম্বর। 

  • ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ৩৯৯ জনের স্বাক্ষর শেষে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

৬। ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’–এ ঘোষণাটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 

(ক) ৭(১)

(খ) ৭ক

(গ) ৭খ

(ঘ) ৭(২)


উত্তর:(ক) ৭(১)

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের সংবিধানের ৭(১) নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় হলো ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’। জনগণের পক্ষে এই ক্ষমতা সংবিধানের অধীনে কার্যকর হবে। 

  • অপরদিকে, ৭ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷”

  • ৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ এবং এই অপরাধে অভিযুক্তব্যক্তি সর্বোচ্চ দন্ডে দণ্ডিত হবে। 

  • ৭খ এর বিষয় হলো: সংবিধানের মৌলিক বিধানবলী সংশোধন অযোগ্য। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

৭। সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?

(ক) ৪ অনুচ্ছেদ

(খ) ৪ক অনুচ্ছেদ

(গ) ৫ অনুচ্ছেদ

(ঘ) ৫ক অনুচ্ছেদ


উত্তর:(খ) ৪ক অনুচ্ছেদ

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

  • ৪ক অনুচ্ছেদটি ২০১১ সালের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়। 

  • ৪ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিম্নোক্ত কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে: 

১. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়

২. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

৩. স্পিকারের কার্যালয়

৪. প্রধান বিচারপতির কার্যালয়

৫. সকল সরকারি ও আধা সরকারি অফিসে

৬. স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে। 

৭. সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রধান শাখা ও কার্যালয়

৮. সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

৯. বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহ। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

৮। নিচের কোনটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?

(ক) জাতীয়তাবাদ

(খ) সাম্প্রদায়িকতা

(গ) মানবাধিকার

(ঘ) গণতন্ত্র


উত্তর:(খ) সাম্প্রদায়িকতা*

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি চারটি। যথা: 

  • জাতীয়তাবাদ (৯ নং অনুচ্ছেদ)

  • সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি (১০ নং অনুচ্ছেদ)

  • গণতন্ত্র ও মানবাধিকার (১১ নং অনুচ্ছেদ)

  • ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা (১২ নং অনুচ্ছেদ)

  • ৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। 

  • ১০ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। 

  • ১১ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় হলো প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণ। 

  • ১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

  • অপরদিকে, সাম্প্রদায়িকতা রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

৯। সংবিধানের ৪৭(ক) নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে? 

(ক) মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ

(খ) সম্পত্তির অধিকার

(গ) কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা*

(ঘ) যুদ্ধাপরাধীদের বিচার


উত্তর:(গ) কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • সংবিধানের ৪৭(ক) নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হলো সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।

  • এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীরা আইনের আশ্রয় লাভ, বিচারের অধিকার এবং রিট করার মাধ্যমে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের সুযোগ পাবে না। 

  • অপরদিকে, বর্তমানে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হচ্ছে সংবিধানের ৪৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী। 

  • ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে সংসদ মৌলিক অধিকার বিরোধী আইন পাস করতে পারে। 

  • মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের বিষয়টি ৪৪ নং অনুচ্ছেদে এবং সম্পত্তির অধিকার ৪২ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১০। বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা নিয়োগ দেন কে?

(ক) আইনমন্ত্রী

(খ) অ্যাটর্নি জেনারেল

(গ) প্রধান বিচারপতি

(ঘ) রাষ্ট্রপতি*


উত্তর:(ঘ) রাষ্ট্রপতি

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের প্রধান অ্যাডভোকেট বা সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা ও মূখ্য আইন পরামর্শক হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 

  • সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দিবেন।

  • বাংলাদেশের সকল আদালতে বক্তব্য পেশ করার প্রয়োজন হলে অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। 

  • বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন এম এইচ খন্দকার এবং বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন (১৬তম) ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

১১। সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে?

(ক) ৬৫

(খ) ৬৬

(গ) ৭০

(ঘ) ৭৫


উত্তর:(ক) ৬৫

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

  • এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে জাতীয় সংসদ নামে একটি সংসদ থাকবে এবং প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা থাকবে সংসদের উপর।

  • প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ৩০০ সদস্য এবং ৫০টি সংরক্ষিত নারী সদস্যসহ মোট ৩৫০টি আসন নিয়ে সংসদ গঠিত হবে। 

  • সংসদের আসন থাকবে রাজধানীতে। 

  • অপরদিকে, ৬৬ নং অনুচ্ছেদে সংসদে নির্বাচিত হবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। 

  • ৭০ নং অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক দল হতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং 

  • ৭৫ অনুচ্ছেদে সংসদের কার্যপ্রণালী, বিধি সহ বিভিন্ন নিয়মের বিষয় বর্ণিত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১২। জরুরি অবস্থা ঘোষণা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?

(ক) ১৪১

(খ) ১৪১

(গ) ১৪১

(ঘ) ১৪১


উত্তর:(ক) ১৪১

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • সংবিধানের নবম (ক) ভাগে জরুরি অবস্থার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

  • নবম (ক) ভাগের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা আছে রাষ্ট্রপতির। 

  • রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বিপদের সম্মুখীন তাহলে তিনি অনধিক ১২০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা দিতে পারেন। 

  • তবে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। 

  • জরুরি অবস্থা চলাকালে সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ এবং ৪২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহ (৬টি) স্থগিত থাকবে (১৪১ (খ))। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৩। সংবিধানের কততম তফসিলের বর্তমানে কার্যকারিতা নেই?

(ক) চতুর্থ

(খ) পঞ্চম

(গ) দ্বিতীয় 

(ঘ) তৃতীয়


উত্তর:

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের সংবিধানের ৭টি তফসিল রয়েছে। 

  • দ্বিতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু হলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

  • সংবিধানের চতুর্থ সংশোধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।

  • সংবিধানের সাতটি তফসিলের বিষয়বস্তু নিম্নরূপ: 

তফসিল

বিষয়

প্রথম

অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন

দ্বিতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন [বর্তমানে বিলুপ্ত]

তৃতীয়

সাংবিধানিক নয়টি পদের শপথ

চতুর্থ

ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি

পঞ্চম

৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

ষষ্ঠ

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা

সপ্তম

মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৪। সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী আনা হয় কত সালে?

(ক) ২০২০ সালে

(খ) ২০১৯ সালে

(গ) ২০১৮ সালে

(ঘ) ২০১৭ সালে


উত্তর:(গ) ২০১৮ সালে

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের সংবিধান এপর্যন্ত মোট সতের বার সংশোধিত হয়েছে।

  • প্রথম সংশোধনী আনা ১৫ জুলাই, ১৯৭৩ সালে।

  • সংবিধানের সর্বশেষ অর্থাৎ সপ্তদশ সংশোধনটি ২০১৮ সালে আনা হয়। 

  • এই সংশোধনীর বিষয়বস্তু হলো সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বৃদ্ধি। 

  • সপ্তদশ এই সংশোধনী অনুযায়ী সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন ২৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি করা হয়। অর্থাৎ ২০৪৪ সাল পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে। 

  • ১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রথমবারের মত ১৫টি নারী সংরক্ষিত আসন যোগ করা হয়। এরপর পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসন ১৫ থেকে ৩০টি করা হয়। 

  • ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসন আরো ১৫টি বৃদ্ধির মাধ্যমে ৪৫টি করা হয়। 

  • সর্বশেষ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১১ সালে সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টিতে উন্নীত করা হয়। 

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৫। সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়টি সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়?

(ক) দ্বাদশ

(খ) এয়োদশ

(গ) চতুর্দশ

(ঘ) পঞ্চদশ


উত্তর:(ক) দ্বাদশ

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়। 

  • এই সংশোধনীকে চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয় কারণ চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। 

  • ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে, রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রপ্রধান রেখে সকল নির্বাহী ক্ষমতা মন্ত্রীপরিষদের উপর ন্যস্ত করা হয়। 

  • অপরদিকে, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য সংশোধনীর প্রধান বিষয়বস্তু হলো: 

সংশোধনী

বিষয়বস্তু

প্রথম (১৯৭৩)

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিতকরণ

দ্বিতীয় (১৯৭৩)

অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা বাধাগ্রস্থ হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

তৃতীয় (১৯৭৪)

ভারতের সাথে সীমান্ত চুক্তি এবং ভারতকে বেরুবাড়ি হস্তান্তর

চতুর্থ (১৯৭৫)

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন

পঞ্চম (১৯৭৯)

১৫ আগস্ট, ১৯৭০-৯ এপ্রিল, ১৯৭৯ পর্যন্ত জারিকৃত সকল ফরমান বৈধতা প্রদান

সপ্তম (১৯৮৫)

এরশাদের সামরিক কর্মকান্ডের বৈধতা প্রদান

অষ্টম (১৯৮৮)

* রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চালু

* ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন

দ্বাদশ (১৯৯১)

সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা

ত্রয়োদশ (১৯৯৬)

নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন

পঞ্চদশ (২০১১)

বাহাত্তরের সংবিধানের অনেক বিষয় পুনঃপ্রবর্তন

সপ্তদশ (২০১৮)

সংরক্ষিত নারী আসন ২৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৬। বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কবে থেকে?

(ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২

(খ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২

(গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২

(ঘ) ১২ অক্টোবর, ১৯৭২


উত্তর: (গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদ গঠিত হয়। 

  • ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংবিধান রচনা কমিটি গঠিত হয়। 

  • এই কমিটির সদস্য ছিলেন ৩৪ জন।

  • ১৭ এপ্রিল এই কমিটর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

  • সংবিধান রচনা কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করে ১২ অক্টোবর এবং এটি গৃহিত ও পাস হয় ৪ নভেম্বর। 

  • ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ৩৯৯ জনের স্বাক্ষর শেষে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

১৭। সংবিধানের প্রথম স্বাক্ষরকারী হলেন-

(ক) শেখ মুজিবুর রহমান

(খ) আবু সাঈদ চৌধুরী

(গ) শাহ আব্দুল হামিদ

(ঘ) ড. কামাল হোসেন


উত্তর: (ক) শেখ মুজিবুর রহমান

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • গণপরিষদের প্রধানমন্ত্রী ও সংবিধানের প্রথম স্বাক্ষরকারী হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

  • সংবিধান রচনা কমিটির সভাপতি ছিলেন গণপরিষদের আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।

  • গণপরিষদ আদেশ জারী করেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। 

  • সংবিধান সংশ্লিষ্ট অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেন:

  • আব্দুর রউফ⎯হস্তলিখিত মূল সংবিধানের লেখক।

  • সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত⎯হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি। 

  • রাজিয়া বানু⎯সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য। 

  • ড. আনিসুজ্জামান⎯সংবিধান পর্যালোচনার প্রধান ভাষা বিশেষজ্ঞ। 

  • জয়নুল আবেদিন⎯সংবিধানের নকশা ও অঙ্গসজ্জাকারী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

৩৮। পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধান?

(ক) বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড

(খ) প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি

(গ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

(ঘ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ।


উত্তর:(গ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার শীর্ষ ব্যক্তি এবং রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

  • প্রজাতন্ত্রের সকল কর্ম সম্পন্ন হয় রাষ্ট্রপতির নামে।

  • পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধানঃ

১। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক

২। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান

৩। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান

৪। বাংলাদেশ স্কাউটের প্রধান

৫। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর প্রভৃতি।

  • অপরদিকে, বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড, প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি, জাতীয় পর্যটন পরিষদ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

১৯। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স কত?

(ক) ৫৫ বছর

(খ) ৬০ বছর

(গ) ৬৫ বছর

(ঘ) ৬৭ বছর


উত্তর: (ঘ) ৬৭ বছর

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের সর্বোচ্চ বয়স ৬৭ বছর।

  • ২০০৪ সালে সংবিধানের ১৪ তম সংশোধনের মাধ্যমে বিচারকদের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়। তবে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বয়সসীমা ৫৯ বছর।

  • বাংলাদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদের বয়স সম্পর্কীত কিছু তথ্য নিম্নরূপঃ

পদমর্যাদা

সর্বনিম্ন বয়স

সর্বোচ্চ বয়স

রাষ্ট্রপতি

৩৫ বছর

নির্দিষ্ট নয়

প্রধানমন্ত্রী

২৫ বছর

নির্দিষ্ট নয়

সংসদ সদস্য

২৫ বছর

নির্দিষ্ট নয়

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর

নির্দিষ্ট নয়

৬৫ বছর

মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

নির্দিষ্ট নয়

৬৫ বছর

সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য

নির্দিষ্ট নয়

৬৫ বছর

তথ্যসূত্র: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

২০। মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?

(ক) তথ্য ও সম্প্রচার
(খ) সংস্কৃতি
(গ) জনপ্রশাসন
(ঘ) ডাক ও টেলিযোগাযোগ


উত্তর:(গ) জনপ্রশাসন

বিস্তারিত  ব্যাখ্যা: 

  • জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয় । বাংলাদেশ সরচকারের অন্যতম এ সংস্থাটি জনপ্রশাসনের সেবা প্রদান সম্পর্কিত বিষয়াদির ব্যবস্থাপনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।

  • জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহঃ

১। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন

২। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি

৩। মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর

৪। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

৫। সরকারী যানবাহন অধিদপ্তর

৬। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ফাউন্ডেশন

৭। সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল

৮। বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

৯। জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি

  • অপরদিকে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর হলো বাংলাদেশ চলচিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর হলো গ্রান্থাগার অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কপিরাইট এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর হলো Bangladesh Satellite Company Limited (BSCL), Bangladesh Submarine Cable Company Limited (BSCCL), The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট



পূর্ববর্তী পোস্ট
মন্তব্য নেই
মন্তব্য যোগ করুন
comment url

কুকিজ সম্মতি

এই ওয়েবসাইটটি আপনাকে একটি ভালো ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা দিতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে, আপনি কি কুকিজ ব্যবহারে সম্মত আছেন?

আরও জানুন